পৌষ মাসের শুরুতেই সারা দেশে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সঙ্গে যোগ হয়েছে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়া। এতে উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনজীবনে নেমে এসেছে ভোগান্তি।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কুড়িগ্রামে শীতের প্রকোপ আরও বেড়েছে। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা সহনীয় থাকলেও সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে অনুভূত হচ্ছে তীব্র ঠাণ্ডা। রাত গভীর হলেই চারপাশ ঢেকে যাচ্ছে ঘন কুয়াশায়।
কুয়াশার সঙ্গে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকায় অনেক এলাকায় সূর্যের দেখা মিলছে দেরিতে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, রোববার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। একই দিনে যশোরেও তাপমাত্রার পারদ নেমে এসেছে ১২ ডিগ্রিতে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠাণ্ডাজনিত রোগের ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষ করে সর্দি-কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন অনেকে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্রের চাহিদা বাড়লেও এখনও পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছায়নি।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামীকালও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে এবং কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকতে পারে।
এদিকে শীত জেঁকে বসার সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। আক্রান্তদের একটি বড় অংশ শিশু হওয়ায় চিকিৎসকরা বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন।


