ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ভোটগ্রহণের দিন এবং তার আগে-পরে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও ট্যাক্সিক্যাবসহ চার ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার নির্বাচন পরিচালনা-০২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের আগের মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
এছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিন দিন মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধ থাকবে।
তবে জরুরি ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের যানবাহন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদমাধ্যমের গাড়ি। জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট যানবাহন—যেমন ওষুধ পরিবহন, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা।
এছাড়া বিমানবন্দরে যাতায়াতকারী যাত্রী বা তাদের আত্মীয়-স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে), দূরপাল্লার যাত্রীবাহী যান, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি চলাচলের অনুমতি থাকবে।
টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহনও নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগরে প্রবেশ ও বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা যাবে।
স্থানীয় বাস্তবতা বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা প্রয়োজনে অতিরিক্ত যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।


