যশোর সদর উপজেলায় চকলেট কেনার প্রলোভন দেখিয়ে নয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় মুদি দোকানি সোহাগ ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। বর্তমানে ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ঘটনার বিবরণ–
ভুক্তভোগীর পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে শিশুটি বাড়ির পাশের মুদি দোকানে চকলেট কিনতে যায়। এ সময় দোকানি সোহাগ কৌশলে শিশুটিকে দোকানের পাশে থাকা একটি গোডাউনের ভেতরে নিয়ে যায়। সেখানে গামছা দিয়ে শিশুটির মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
ঘটনার পর শিশুটি ভয়ে কাউকে কিছু বলেনি। তবে সোমবার বিকেলে সে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে সোমবার রাত ৮টার দিকে তাকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশের পদক্ষেপ
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরপরই অভিযুক্ত সোহাগ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী বাবুল বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে এবং ভুক্তভোগীর খোঁজখবর নিয়েছে। শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অভিযুক্ত সোহাগকে আটকে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়রা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।


